শনিবার, ৩১ মার্চ, ২০১২

ফরিদপুর জেলার ইতিহাস,ঐতিহ্য ও উল্লেখযোগ্য তথ্য



জেলার পটভূমিঃ

সুপ্রাচীন কাল থেকেই ফরিদপুরের রয়েছে অনেক কীর্তিময় গৌরব-গাঁথা। ফরিদপুর জেলার প্রতিষ্ঠা ১৭৮৬ সালে। মতান্তরে এ জেলা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮১৫ (বাংলা পিডিয়া)। এর আয়াতন ২০৭২.৭২ বর্গ কিলেমিটার। উত্তরে রাজবাড়ী এবং মানিকগঞ্জ জেলা, পশ্চিমে নড়াইল, মাগুরা. দক্ষিণে গোপালগঞ্জ জেলা পূর্বে ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ এবং মাদারীপুর জেলা। ফরিদপুর জেলায় মোট পৌরসভা ৪টি, ওয়ার্ড ৩৬টি, মহল্লা ৯২টি, ইউনিয়ন ৭৯টি, গ্রাম ১৮৫৯টি। মোট উপজেলা ৯টি। সেগুলো হচ্ছেঃ ফরিদপুর সদর, মধুখালী, বোয়ালমারী,আলফাডাঙ্গা, সালথা, নগরকান্দা, ভাঙ্গা, সদরপুর, চরভদ্রাসন।


ব্রিটিশ শাসন আমলে সৃষ্ট একটি অন্যতম প্রাচীন জেলার নাম ফরিদপুর। অনেক আউলিয়া-দরবেশ, রাজনীতিক, পূণ্যাত্মার আবাসভূমি হিসেবে এ অঞ্চল অত্যন্ত সুপ্রসিদ্ধ। এ জেলার পূর্বনাম ছিল ‘‘ফতেহাবাদ’’। প্রখ্যাত সাধক এবং দরবেশ খাজা মাইনউদ্দিন চিশতী (রহঃ) এর শিষ্য শাহ ফরিদ (রহঃ) এর নামানুসারে এ জেলার নামকরণ করা হয় ফরিদপুর। ফরিদপুর জেলার প্রতিষ্ঠা সন ১৭৮৬ হলেও তখন এটির নাম ছিল জালালপুর এবং প্রধান কার্যালয় ছিল ঢাকা। ১৮০৭ খ্রিঃ ঢাকা জালালপুর হতে বিভক্ত হয়ে এটি ফরিদপুর জেলা নামে অভিহিত হয় এবং হেড কোয়ার্টার স্থাপন করা হয় ফরিদপুর শহরে। গোয়ালন্দ, ফরিদপুর সদর, মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ এই চারটি মহকুমা সমন্বয়ে ফরিদপুর জেলা পূর্ণাঙ্গতা পায়। বৃহত্তর ফরিদপুর জেলা পাঁচটি জেলায় রূপান্তরিত হয়েছে। জেলাগুলো হচ্ছেঃ ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর। এ জেলায় হাজী শরীয়তুল্লাহর নেতৃত্বে ফরায়েজী আন্দোলন ব্যাপক প্রসার লাভ করে। এক সময় গড়াই, মধুমতি, বারাসিয়া, চন্দনা, কুমার প্রভৃতি নদীর তীরবর্তী জমিতে নীল চাষ করা হতো। আলফাডাঙ্গা ও মীরগঞ্জে প্রধান কুঠি স্থাপন করা হয়েছিল। এ জেলার ৫২টি নীল কুঠি এর অন্তর্ভূক্ত ছিল। প্রধান ম্যানেজার ছিলেন ডানলফ। অন্যান্য জেলার ন্যায় নীল বিদ্রোহ হয়েছে। এতে নেতৃত্ব দেন দুদু মিয়া। এক সময় এ জেলা বিল প্রধান জলা ভূমি এলাকা ছিল এবং পদ্মার প্লাবনে পলি মাটিতে উর্বর হতো। জেলা শহর বর্তমানে কুমার নদীর তীরে অবস্থিত। ফরিদপুর পৌরসভা সৃষ্টি হয় ১৮৬৯ সালে। ৯টি ওয়ার্ড ৩৫টি মহল্লা নিয়ে জেলা শহর গঠিত। এর আয়াতন ২০.২৩ বর্গ কিলোমিটার। প্রাচীন নিদর্শন ও প্রত্ন সম্পদের মধ্যে - গেরদা মসজিদ (হিঃ ১০১৩), পাতরাইল মসজিদ ( ১৪৯৩ -১৫১৯ খ্রিঃ), সাতৈর মসজিদ ( ১৫১৯ খ্রিঃ), বাসুদেব মন্দির, জগদবন্ধুর আঙ্গিনা, ফতেহাবাদ টাকশাল (১৫১৯-১৫৩২ খ্রিঃ), মথুরাপুর দেউল, বাইশরশি জমিদারবাড়ী, জেলা জজ কোর্ট ভবন (১৮৮৯ খ্রিঃ), ভাঙ্গা মুন্সেফ কোর্ট ভবন (১৮৮৯ খ্রিঃ) উল্লেখযোগ্য।



উপজেলার তালিকাঃ





ভৌগোলিক অবস্থানঃ

১.
জেলা আয়তন
:
২০৭২.৭২ বর্গ কিলোমিটার
২.
ভৌগোলিক অবস্থান
:
ফরিদপুর জেলা ৮৯.২৯পূর্ব হতে ৯০.১১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২৩.১৭উত্তর হতে ২৩.৪০ উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত।
.
সীমানা
:
উত্তরে রাজবাড়ী ও মানিকগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে গোপালগঞ্জ জেলা, পশ্চিমে
মাগুরা ও নড়াইল জেলা এবং পূর্বে মাদারীপুর ও মুন্সীগঞ্জ জেলা অবস্থিত।




ক) সাধারণ তথ্যাবলীঃ
জেলার নাম
:
ফরিদপুর
জেলা আয়তন
:
২০৭২.৭২ বর্গ কিলোমিটার
ভৌগোলিক অবস্থান
:
ফরিদপুর জেলা ৮৯.২৯পূর্ব হতে ৯০.১১পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২৩.১৭ উত্তর হতে ২৩.৪০০ উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত
সীমানা
:
উত্তরে রাজবাড়ী ও মানিকগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে গোপালগঞ্জ জেলা, পশ্চিমে মাগুরা ও নড়াইল জেলা এবং পূর্বে মাদারীপুর ও মুন্সীগঞ্জ জেলা অবস্থিত
লোক সংখ্যা
:
১৭,৪২,৭২০ জন (২০০১ সনের আদম শুমারী অনুযায়ী)
ক) পুরুষ- ৮,৯৩,২৮০ জন
খ) মহিলা- ৮,৪৯,৪৪০ জন
জন সংখ্যার ঘনত্ব
:
৮৪০.৭৮ জন প্রতি বর্গ কিঃ মিঃ
উপজেলার সংখ্যা ও নাম
:
৯ (নয়) টি। সদর, মধুখালী, বোয়ালমার আলফাডাঙ্গা, সালথা, নগরকান্দা, ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন
উপজেলার আয়তন ও লোক সংখ্যা
:


উপজেলার নাম
আয়তন
লোক সংখ্যা
ফরিদপুর সদর
৪০৭.০২ বঃকিঃ
৪,১৩,৪৮৫
মধুখালী
২৩০.২০ ’’
১,৮৭,৭৭৫
বোয়ালমারী
২৭২.৩৪ ’’
২,৩৩,৬৮৩
আলফাডাঙ্গা
১৩৬.০০ ’’
১,০০,৫৯৮
সালথা
১৮৫.১১ ’’
১,৪৭,৮৮০
নগরকান্দা
১৯৩.৯১ ’’
১,৮০,৭৬৮
ভাঙ্গা
২১৬.৩৪ ’’
২,৩২,৩৮৬
সদরপুর
২৯০.২১ ’’
১,৮৮,৭৫৭
চরভদ্রাসন
১৪১.৫৯ ’’
৭৬,৩৬৬
থানার সংখ্যা ও নাম
:
৯ (নয়) টি। কোতয়ালী, মধুখালী, বোয়ালমারী, লফাডাঙ্গা, সালথা, নগরকান্দা, ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন ।
১০
পৌরসভা সংখ্যা ও নাম
:
৪ (চার) টি। ফরিদপুর, বোয়ালমারী, নগরকান্দা ও ভাঙ্গা।
১১
ইউনিয়নের সংখ্যা
:
৭৯টি।
১২
গ্রামের সংখ্যা
:
১,৮৮৭টি।
:
খ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান :
সরকারী কলেজ সংখ্যা ও নাম
:
৭ (সাত)টি। রাজেন্দ্র কলেজ, ইয়াছিন কলেজ, সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজ, চরভদ্রাসন কলেজ, মধুখালী কলেজ, সদরপুর কলেজ, বোয়ালমারী কলেজ।
বেসরকারী কলেজ সংখ্যা
:
২৪ (চবিবশ)টি।
সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় সংখ্যা ও নাম
:
৬ (ছয়)টি। ফরিদপুর জিলা স্কুল, ফরিদপুর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বিশ্ব জাকের মঞ্জিল উচ্চ বিদ্যালয়, বোয়ালমারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কামারখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, চরভদ্রাসন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
বেসরকারী উচ্চ বিদ্যালয়
:
১৮৯টি
জুনিয়র হাই স্কুল
:
৫২টি
দাখিল মাদ্রাসা
:
৩২টি
আলিম মাদ্রাসা
:
১০টি।
ফাজিল মাদ্রাসা
:
০৯টি।
কামিল মাদ্রাসা
:
০১টি (বিশ্ব জাকের মঞ্জিল, সদরপুর)।
১০
বেসরকারী এবতেদায়ী মাদ্রাসা
:
৮৭টি।
১১
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়
:
৫৪৩টি।
১২
বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়
:
২১৮টি।
১৩
অনিবন্ধনকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়
:
২২টি।
১৪
শিক্ষার হার
:
৪৩.৯৫%
গ) কারিগরী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান :
মেডিকেল কলেজ
:
০১টি।
টিচার্স ট্রেনিং কলেজ
:
০১টি।
সরকারী কমার্শিয়াল কলেজ
:
০১টি।
পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট
:
০১টি।
কৃষি ইনষ্টিটিউট
:
০১টি।
পি.টি. আই
:
০১টি।
টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার
:
০১টি।
হোমিওপ্যাথী মেডিকেল কলেজ
:
০১টি।
মুক ও বধির বিদ্যালয়
:
০১টি।
ঘ) জাতীয় প্রতিষ্ঠান :
বাংলাদেশ নদী গবেষনা ইনষ্টিটিউট
:
০১টি।
মৎস্য উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
:
০১টি।
ঙ) শিল্প প্রতিষ্ঠান :
চিনি কল
:
০১টি।
পাটকল
:
০৪টি।
টেক্সটাইল মিল
:
০২টি।
পাইপ কারখানা
:
০১টি।
তাঁত শিল্প
:
২০২টি।
চ) স্বাস্থ্য বিষয়াদি :
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
:
০১টি।
জেনারেল হাসপাতাল
:
০১টি।
উপজেলা হেলথ কমপে­ক্সের সংখ্যা
:
০৭টি।
ইউনিয়ন হেলথ কমপে­ক্সের সংখ্যা
:
৩৬টি
ইউনিয়ন হেলথ কমপে­ক্সের সংখ্যা
:
৪৩টি
ছ) যোগাযোগ বিষয়াদি :
পাকা রাস্তার দৈর্ঘ্য
:
৯৬৬.৬৬ কিঃ মিঃ।
কাঁচা রাস্তার দৈর্ঘ্য
:
২,৭৫১.০০ কিঃ মিঃ।
এইচ বি বি রাস্তার দৈর্ঘ্য
:
৩৩৭.৮৭ কিঃ মিঃ।
ব্রীজ/কালভার্ট এর সংখ্যা
:
১,৬২১টি।
ব্রীজ/কালভার্ট এর দৈর্ঘ্য
:
২০,৯০৭.০৩ মিটার।
জ) অন্যান্য তথ্য :
খাদ্য গুদাম
:
৩০টি।
মসজিদ
:
৩,২৪২টি।
মন্দির
:
৪৭২টি।
গীর্জা
:
০৩টি।
ডাক বাংলো
:
০৯টি।
ঝ) দর্শনীয় স্থানঃ
পল্ল­ী কবি জসীম উদ্দীনের বাড়ী ও কবর স্থান।
নদী গবেষনা ইনষ্টিটিউট।
হযরত শাহ্ ফরিদ মসজিদ।
জগদ্বন্ধু সুন্দর এর আশ্রম।
গৌর গোপাল আঙ্গিনা, গোয়ালচামট।
আটরশি বিশ্ব জাকের মঞ্জিল, সদরপুর।
বাইশ রশি জমিদার বাড়ী, সদরপুর
সাতৈর মসজিদ, বোয়ালমারী।
মথুরাপুরের দেউল, মধুখালী।
পাতরাইল মসজিদ, ভাঙ্গা।



শিল্প ও বাণিজ্য


বড় শিল্প
মাঝারী শিল্প
ছোট /কুটির শিল্প
ফরিদপুর চিনি কল, আজিজ পাইপ, খানখানাপুর টেক্সটাইল মিল, করিম জুট মিল, সাঈদ জুট স্পিইন, শরীফ জুট মিল,
ফরিদপুর হিমাগার, ফরিদপুর জুট ফাইবার, রোকেয়া টেক্সটাইল, বিএডিসি হিমাগার,
নকশী কাঁথা, মৃৎ শিল্প, খেজুরের পাটি, ছাতা শিল্প, স্বর্ণকার, মাধুলী শিল্প, কাঠের কাজ, বাঁশ ও বেতের কাজ, সেলাই, বেকারী, তাঁত, খেজুরের গুড় ও জাল বুনন

১.  চিনি কল         :    ফরিদপুর জেলায় মধুখালী উপজেলাতে একটি চিনি কল আছে। 
ইহার নাম ফরিদপুর চিনি কল, পোঃ + উপজেলাঃ মধুখালী, ফরিদপুর।
২.  পাটকল           :    ফরিদপুর জেলায় ০৪টি পাট কল আছে।
৩.  টেক্সটাইল মিল  :      ফরিদপুর জেলায় মাঝারী ০২টি টেক্সটাইল মিল আছে।
৪.  পাইপ কারখানা  :      আজিজ পাইপ নামে বড় একটি ০১টি পাইপ কারখানা আছে।
৫.  তাঁত শিল্প        :      মাঝারী ও ক্ষুদ্র আকারের ২০২টি টি তাঁত শিল্প আছে।




খেলাধূলা ও বিনোদন



খেলাধূলা ও বিনোদন
ক্রমিক নং
বিনোদনধর্মী অনুষ্ঠান স্থান
যোগাযোগের তথ্য
সম্ভাব্য সময়সূচী
জেলা ক্রীড়া অফিসঃ ক্রীড়া পরিদপ্তর বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত, জেলা ক্রীড়া অফিসারের ব্যবস্থাপনায় বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচীর আওতায় প্রতিবৎসর তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলা সমূহ অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
বিষয় সমূহঃ ক) প্রতিযোগিতা-ভলিবল, এ্যাথলেটিক্স, সাতার ও দাবা
খ) প্রশিক্ষণ-ক্রিকেট, হকি, ফুটবল এবং হ্যান্ডবল।
৮টি খেলার উপর ৪টি প্রশিক্ষণ ও ৪টি প্রতিযোগিতার আয়োজন।
জেলা ক্রীড়া অফিস, ফরিদপুর।
ফরিদপুর জেলা ৮টি উপজেলায় বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচী বাসত্মবায়নের জন্য সড়ক পথে উপজেলা গমন করা হয়।
সেপ্টেম্বর  মাস হতে মে  মাস পর্যমত্ম
স্কুল পর্যায়েঃ স্কুল ও মাদ্রাসায় শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
বিষয় সমূহঃ গ্রীষ্মকালীনু ফুটবল, সাঁতার, হ্যান্ডবল এবং কাবাডি
শীতকালীন-এ্যাথলেটিক্স ,ক্রিকেট, হকি, ভলিবল, বাস্কেটবল এবং ব্যাডমিন্টন
উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা শিক্ষা অফিস, ফরিদপুর।
প্রতিটি উপজেলায় স্কুল পর্যায়ে খেলাধুলার আয়োজন করে থাকে।
জুলাই মাস হতে আগস্ট মাস পর্যমত্ম এবং জানুয়ারী মাস হতে ফেব্রুয়ারী মাস পর্যমত্ম
জেলা ক্রীড়া সংস্থাঃ জেলা ক্রীড়া সংস্থা কর্তৃক জেলা পর্যায়ে এবং জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের জন্য খেলাধুলার ব্যবস্থা গ্রহণ করে। খেলাধুলা সমূহ-ফুটবল, হকি, ক্রিকেট, হ্যান্ডবল, দাবা, ভলিবল, কাবাডি, বাস্কেটবল এবং এ্যাথলেটিক্স সহ অন্যান্য খেলা।
প্রতিযোগিতা এবং প্রশিক্ষণ বিভিন্ন ফেডারেশনের নির্দশক্রমে বাসত্মবায়ন করা হয়।
জেলা ক্রীড়া সংস্থা, ফরিদপুর।
জেলা সদরে জেলা ক্রীড়া সংস্থার ক্রীড়া কর্মকান্ড বাসত্মবায়ন করে।জাতীয় পর্যায়ে খেলাধুলার জন্য ফেডারেশনের নির্দেশক্রমে জেলা দল প্রেরণ করে থাকে।
বছর ব্যাপী কর্মসূচী বাসত্মবায়ন করা হয়।
বিনোদন ঃ নৌকা বাইচ, লাঠি খেলা এবং মেলার আয়োজন। প্রশাসন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনু©র্ষ্ঠত  হয়ে থাকে।
বিনোদনের স্থান ও বিষয়ঃ
১) নৌকা বাইচ (ভাঙ্গা, সদরপুর, নগরকান্দা)
২) লাঠি খেলা (চর অঞ্চলে  প্রচলন) চরভদ্রাসন, সদরপুর, নগরকান্দা, এবং ফরিদপুর সদর উপজেলায় কিছু অংশে ব্যাপক প্রচলন আছে।
মেলা সমূহের স্থান ও সময়ঃ জেলা সদরে  জসীম মেলা এবং জসীম মিউজিয়াম বিনোদনের একটি প্রাণকেন্দ্র। প্রতি বৎসর জানুয়ারী মাসের ১ তারিখ থেকে ১৫ তারিখ পর্যমত্ম।
জগৎবন্ধু আঙ্গিনা প্রাঙ্গনে প্রতি বৎসর বৈশাখ মাসে দেশ বিদেশের হাজার মানুষের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সর্বধর্মীয় সর্বসত্মরের মানুষ মেলা এবং বিনোদনের সুযোগ পায়।
উপজেলা উপজেলায় প্রতি বছর বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষ্যে ১টি নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়ে থাকে।
জেলা পরিষদের আওতায় মধুখালী উপজেলায় নিরিবিলি ১টি পিকনিক স্পট/ পার্ক আছে।
ফরিদপুর জেলার খেলার মাঠ ও জিমনেসিয়ামের সংখ্যাঃ
ক) ফরিদপুর সদরে ৮টি খেলার মাঠ (স্কুল পর্যায়ে)
খ) ১টি ষ্টেডিয়াম
গ) ১টি জিমনেসিয়াম
ঘ) উপজেলা পর্যায়ে ১১টি খেলার মাঠ আছে।
ফরিদপুর জেলায় হকি খেলার ব্যাপক প্রচলিত। ২০০৭ সালের জাতীয় হকি প্রতিযোগিতায় রানাস আপ এবং ২০০৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। জেলা ক্রীড়া অফিস এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থা কর্তৃক আলাদা আলাদাভাবে প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করে থাকে।



ভাষা ও সংস্কৃতি

ভাষা সৃষ্টির পর থেকেই পৃথিবীর সব মানব গোষ্ঠিই তাদের নিজ নিজ কামনা-বাসনা, চাওয়া-পাওয়া, ব্যথা-বেদনা, সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বিরাহ প্রকাশ করে আসছে। বিভিন্নভাবে প্রকাশের এই মাধ্যমই হচ্ছে সাহিত্য। যে জাতির ভাসা, সাহিত্য সমৃদ্ধ সে জাতি তত সমৃদ্ধ। আমরা বাঙালী আমাদের অতীত সাহিত্যের ঐতিহ্য রয়েছে। লোক সংস্কৃতি বাংলা সাহিত্যের একটি বিশাল ভান্ডার। ফরিদপুরের নিজস্ব সংস্কৃতিও এক্ষেত্রে উল্লেখ করার মত। লোকগীতি, লোকসংগীতি, পল্লীগীতি, বাউল গানের বিখ্যাত মরমী লোক কবি ও চারণ কবিদের লালন ক্ষেত্র এ ফরিদপুরে। এ জেলার অনুকুল আবহাওয়া ও পরিবেশ এদের লালন করেছে আর যুগে যুগে উপাদান ও উপকরণ সরবরাহ করে মরমী ও লোক কবিদের সাধনা ক্ষেত্রে অনুপ্রেরনা যুগিয়েছে। পল্লী কবি জসীমউদ্দিন, তাইজদ্দিন ফকির, দেওয়ান মোহন, দরবেশ কেতারদি শাহ, ফকির তীনু শাহ, আজিম শাহ, হাজেরা বিবি, বয়াতি আসাদুজ্জামান, আবদুর রহমান চিশতী, আঃ জালাল বয়াতি, ফকির আব্দুল মজিদ প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশের সংস্কৃতাঙ্গনে ফরিদপুরের লোকগানের উল্লেখযোগ্য ভহমিকা রয়েছে। এর প্রমাণ পাওয়া যায় মুহম্মদ মুনসুর উদ্দিনের ‘হারামনি’ বাংলা একাডেমী প্রকাশি লোক সাহিত্য ও ফোকল্যের সংকলন সমূহ, আশুতোষ ভট্রাচার্যের, বাংলার লোক সাহিত্য, উপেন্দ্রনাথ ভট্রাচার্যের, বাংলার বাউল ও বাউল গান, ডঃ আশরাফ সিদ্দিকীর, লোক সাহিত্য, জসীম উদদীনের জারীগান ও মুশিদ গান,প্রভৃতি লোক গবেষনামূলক গ্রন্থে।
সাংস্কৃতিক  ব্যক্তিত্ব : 
· পল্লীকবি জমীস উদদীন
· তাইজদ্দিন ফকির
· দেওয়ান মোহন
· দরবেশ কেতাবদি শহ
· ফকির তীনু শাহ
· আজিম শাহ
· হাজেরা বিবি
· বয়াতি আসাদুজ্জামান
· আবদুর রহমান চিশতী
· আঃ জালাল বয়াতি
· বাউল গুরু মহিন শাহ
· ফকির আব্দুল মজিদ
· কোরবান খান
· ছইজদ্দিন ফকির
· আজাহার মন্ডল
· আব্দুর রাজ্জাক বয়াতি
· বাউল রহমান সাধু
· মেঘু বয়াতি
· ডাঃ হানিফা
· শেখ সাদেক আলী
সাংস্কৃতিক  প্রতিষ্ঠানঃ
ক্রমিক নং
নাম
সংখ্যা
ক্লাব
৪৭৯টি
পাবলিক লাইব্রেরী
০৯টি
যাদু ঘর
০১টি
নাট্যমঞ্চ
০৬টি
নাট্যদল
৩০টি
যাত্রা দল
০৩টি
সাহিত্য সমিতি
২৮টি
মহিলা সংগঠন
৬৬টি
সিনেমা হল
১২টি
১০
কমিউনিটি সেন্টার
১০টি
১১
শিল্পকলা একাডেমী
০১টি
১২
খেলার মাঠ
৭১টি


খনিজ সম্পদ

বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশ।ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ খনিজ সম্পদে তেমন স্বয়ং সম্পুর্ন নয়। তথাপি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন স্থানে নানা ধরণের খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। যেমন-প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, আকরিক লৌহ, চুনামাটি,বেলে পাথর, মাটবেল পাথর, খনিজ তেল, খনিজ বালি বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ।
সিলেট, ময়মনসিংহ, চট্রগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর, দিনাজপুর প্রভৃতি জেলায় বিভিন্ন ধরণের গুরুত্বপূর্ণ কিছু খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেলেও ফরিদপুর জেলা খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ নয়। ফরিদপুর জেলার গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ
নাম
স্থান
পরিমাণ
মজুদ
উত্তোলনের বর্তমান অবস্থা
মন্তব্য
কাঁচবালি
পদ্মার চর
কাঁদামাটি
পদ্মার চর
শ্বেতমৃত্তিকা
পদ্মার চর



যোগাযোগ ব্যবস্থা
ফরিদপুর হতে ঢাকা পৌঁছাতে
পরিবহনের নাম
বুকিং এর জন্য ফোন নং
যাত্রা স্থান
ছাড়ার সময়
পৌঁছানোর সম্ভাব্য সময়
যাত্রী প্রতি ভাড়া
মন্তব্য
‡Mv‡ìb jvBb৬৬৯৮৮
০১১৯০-৭৩২৯৫৫
ফরিদপুর পৌর বাসষ্ট্যান্ড
সঃ ৬.৪৫টা
সঃ ০৮.৪০
সঃ ১০.১০
দুঃ ১২.৩৫
দুঃ ০১.৪৫
দুঃ ০৩.১০
বিঃ ০৪.৪০
বিঃ ০৫.৩৫
রাতঃ ৯.০০
সঃ ৯.৪৫টা
সঃ ১১.৪০
দুঃ ০১.১০
বিঃ ০৩.৩৫
বিঃ ০৪.৪৫
সন্ধ্যা ০৬.১০
রাতঃ ০৭.৪০
রাতঃ ০৮.৩৫
রাতঃ ১২.০০
১৮০/-
ফেরী ও লঞ্চ পারাপার
সঃ ৮.৩০ এবং বিকাল ঃ 3.০০ (ফেরী পারাপার)
আজমেরী পরিবহন
৬৪২৬৬
০১৭১২০
১০০৪৭
০১১৯০২
৮৮০১১
ফরিদপুর পৌর বাসষ্ট্যান্ড
সঃ ৬.৪৫টা
সঃ ০৮.৪০
সঃ ১০.১০
দুঃ ১২.৩৫
দুঃ ০১.৪৫
দুঃ ০৩.১০
বিঃ ০৪.৪০
বিঃ ০৫.৩৫
রাতঃ ৯.০০
সঃ ৯.৪৫টা
সঃ ১১.৪০
দুঃ ০১.১০
বিঃ ০৩.৩৫
বিঃ ০৪.৪৫
সন্ধ্যা ০৬.১০
রাতঃ ০৭.৪০
রাতঃ ০৮.৩৫
রাতঃ ১২.০০
১৮০/-
ফেরী ও লঞ্চ পারাপার
সঃ ৮.৩০ এবং সন্ধ্যা ৭.৩০ (ফেরী পারাপার)
আনন্দ পরিবহন
৬৩৪৯৫
০১৭২১
৩১৩৩৪৫
-ঐ-
সঃ ০৬.৫৫
সঃ ০৮.১০
সঃ ১০.১০
সঃ ১১.১০
সঃ ১১.৪০
দুঃ ১২.১০
দুঃ ১২.২৫
দুঃ ১২.৪৫
দুঃ ০২.৩০
দুঃ ০৩.৩০
বিঃ ০৪.১০
বিঃ ০৫.৫০
সঃ ০৯.৫৫
সঃ ১১.১০
দুঃ ০১.১০
দুঃ ০২.১০
দুঃ ০২.৪০
বিঃ ০৩.১০
বিঃ ০৩.২৫
বিঃ ০৩.৪৫
বিঃ ০৫.৩০
বিঃ ০৬.৩০
সন্ধ্যা ০৮.১০
রাতঃ ০৮.৫০
১৬০/-
ফেরী
সাউদিয়া পরিবহন
৬৩৬৪৪
-ঐ-
সঃ
১৬০/-
ফেরী ও লঞ্চ পারাপার
সূর্যমুখী পরিবহন
৬৩১৩৬
-ঐ-
সঃ
১৬০/-
-ঐ-
বিকাশ পরিবহন
৬২৮৯০
-ঐ-
সঃ
১৬০/-
লঞ্চ পারাপার

ঢাকা হতে ফরিদপুর পৌঁছাতে
পরিবহনের নাম
বুকিং এর জন্য ফোন নং
যাত্রা স্থান
ছাড়ার সময়
পৌঁছানোর সম্ভাব্য সময়
যাত্রী প্রতি ভাড়া
মন্তব্য
আজমেরী পরিবহন
০২৮০২০৯১৫
কাউন্টার ম্যানেজার
০১৭১৫৮
১৭৯৭৭
গাবতলী বাসষ্ট্যান্ড
সঃ ০৭.৩০টা
সঃ ১০.১৫
সঃ ১১.৪৫
দুঃ ০১.১৫
দুঃ ০২.১৫
বিঃ ০৪.০০
বিঃ ০৫.৪৫
সন্ধ্যাঃ ৬.৩০
রাতঃ ০৮.৩০
সঃ ১০.৩০টা
দুঃ ০১.১৫
দুঃ ০২.৪৫
বিঃ ০৪.১৫
বিঃ ০৫.১৫
সন্ধ্যা ০৭.১৫
রাতঃ ৮.৪৫
রাতঃ ৯.৩০
১৮০/-
ফেরী ও লঞ্চ পারাপার
বিঃ ৪.৩০ (ফেরী পারাপার)
আনন্দ পরিবহন
০২৮০২১১২৭
-ঐ-
সঃ ০৮.৩০
সঃ ০৯.১৫
সঃ ১০.৪৫
সঃ ১১.৩০
দুঃ ১২.১৫
দুঃ ০১.০০
দুঃ ০১.৪৫
দুঃ ০২.৩০
বিঃ ০৩.১৫
বিঃ ০৪.০০
বিঃ ০৪.৪৫
বিঃ ০৫.৩০
সন্ধ্যা ০৬.১৫
সন্ধ্যা ০৭.৪৫
সঃ ১১.৩০
দুঃ ১২.১৫
দুঃ ০১.৪৫
দুঃ ০২.৩০
দুঃ ০৩.১৫
বিঃ ০৪.০০
বিঃ ০৪.৪৫
বিঃ ০৫.৩০
বিঃ ০৬.১৫
সন্ধ্যা ০৭.০০
রাতঃ ০৭.৪৫
রাঃ ০৮.৩০
রাতঃ ০৯.১৫
রাতঃ ১০.৪৫
১৬০/-
ফেরী
সাউদিয়া পরিবহন
০২৮০১৮৫৬৯
-ঐ-
সঃ
১৬০/-
ফেরী ও লঞ্চ পারাপার
সূর্যমুখী পরিবহন
০২৮০১১৮২০
-ঐ-
সঃ
১৬০/-
-ঐ-
বিকাশ পরিবহন
০১১৯০৭
২৮৫২৫
০১১৯০৭
৩৬১৩০
-ঐ-
সঃ
১৬০/-
লঞ্চ পারাপার

ঢাকা থেকে ফরিদপুরের দূরুত্ব = ১৫৫ কিলোমিটার
সম্ভাব্য সময় = ৩ ঘন্টা
পরিবহনে যাত্রী প্রতি ভাড়া = ১৮০/- টাকা।
যোগাযোগ বিষয়াদি
১. পাকা রাস্তার দৈর্ঘ্য             :  ৯৬৬.৬৬ কিঃ মিঃ।
২. কাঁচা রাস্তার দৈর্ঘ্য             :  ২,৭৫১.০০ কিঃ মিঃ।
৩. এইচ বি বি রাস্তার দৈর্ঘ্য     :  ৩৩৭.৮৭ কিঃ মিঃ।
৪. ব্রীজ/কালভার্ট এর সংখ্যা    :  ১,৬২১টি।
৫. ব্রীজ/কালভার্ট এর দৈর্ঘ্য      : ২০,৯০৭.০৩ মিটার।







বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব

ম্বিকাচরণ মজুমদার (সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ)


হাজী শরিয়তুল্লাহ



উসুফ আলী চৌধুরী (রাজনীতিবিদ)

হুমায়ুন কবির (শিক্ষাবিদ )

বিচারপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিমঃ



পল্লী কবি জসীম উদদীনঃ
পল্লী উদদীন ১৯০৩ সালে ফরিদপুর জেলার সদর উপজেলার তাম্বুলখানা গ্রামে নানাবাড়ীতে এক সম্ভ্রামত্ম মুসলিম পরিবারের জন্মগ্রহণ করেন। ঔপনিবেশিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েও তিনি বাংলার পল্লী প্রকৃতির রূপমাধুর্য, সহজ সরল মানুষের জীবন ধারণ তাঁর কাব্য সাহিত্যের উপজীব্য হিসেবে নেন। যে মাটি থেকে উস্থিত তিনি, যে মানুষেরা এই মাটির আদরে লালিত, যারা তথাকথিত ভদ্রলোক সমাজের বিবেচনা থেকে বঞ্চিত ও নাগরিকতা থেকে নির্বাসিত তাদের তিনি আপন করে নিলেন চিরকালেল মত। তাদের নিয়েই তিনি যাপন করলেন তার শিল্প জীবন। বাংলার প্রধানতঃ পল্লী অঞ্চলে ছড়িয়ে রয়েছে বিশাল মুসলমান সম্প্রদায়, কৃষি যাদের প্রধান উপজীবিকা, তাদের মধ্যেই জসীম উদদীনের আবির্ভাব। জসীম উদদীনের বাল্য, কৈশোর ও যৌবনের অনেকটাই কেটেছে এ পল্লীতে, সেখানকার মাঠে-ঘাটে, নদীতীরে বালু চরে সাধারণ মানুষের মধ্যে। জন্মসূত্রে পল্লীর সাথে তাঁর এই নিবিড় সম্পর্কের কারণেই তার সাহিত্য কাব্যে প্রতিফলিত হয়েছে পল্লী প্রকৃতি। তিনি হয়েছে মাটি ও মানুষের কবি পল্লীকবি। মহান এ কবি ১৪ মার্চ ১৯৭৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
 


বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফঃ
মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী স্বাধীনতার সূর্য সমত্মান বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ ১৯৪৩ সালের ১লা যে ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার সালামতপুর (রউফনরগ) গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৩ সনের ০৮ মে তারিখ তৎকালীন হস্ট পাকিসত্মান রাইফেলস বাহিনীতে সৈনিক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তিনি চট্রগ্রামের ই.পি.আর-এ ১১ নং উইং এ কর্মরত ছিলেন। যুদ্ধ শুরু হলে তার উইং এ কর্মরত সকল সৈনিক ৮ মে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। ০৮ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে শক্রপক্ষে ২য় কমান্ডে ব্যাটালিয়নের ন্যূনপক্ষে ১টি কোম্পানী লঞ্চ ও স্পীডবোটে করে প্রতিরক্ষা এলাকায় ঢুকে পড়ে এবং অতর্কিতে মুক্তিবাহিনীর লোকদের উপর আক্রমন চালালে প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত সকল লোক বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়। একমাত্র শহীদ ল্যান্স লায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ নিজের মেশিনগান দিয়ে শক্রর উপর গোলাবর্ষণ অব্যাহত রাখেন, যার ফলে শক্রপক্ষের ২টি লঞ্চ ও ১টি স্পীডবোট পানিতে ডুবে যায় এবং প্রায় ২ প্লাটুন শক্র সৈন্য মারা যায়। ইঠাৎ করেই শক্র পক্ষের মর্টারের একটি গোলা তার অবস্থানে আঘাত হানলে তিনি শাহাদত বরণ করেন।